ছবিতে Gultekin Khan ম্যামের ২য় স্বামী আফতাব আহমদ। দীর্ঘ দিন সম্পর্কে থাকার পর তারা বিবাহ করেন। আফতাব আহমদের ১ম স্ত্রী সন্তানসহ বর্তমানে দেশের বাহিরে আছেন। আফতাব আহমদের মৃত্যুর পর তার সন্তান তাকে দেখতেও আসেনি। কতটা ক্ষোভ, রাগ থাকলে এটা সম্ভব? আজ গুলতেকিন ম্যাম হুমায়ুন আহমেদকে ভিলেন বানিয়ে লিখলেন, আগামীকাল আফতাব সাহেবের ১ম স্ত্রী তার আত্মজীবনি লিখলে সেই লেখায় আফতাব আহমদ বা গুলতেকিন ম্যাম ভিলেন হবেন কিনা সময়ই বলে দেবে। কথিত আছে, আফতাব আহমদ মারা যাবার আগে অসুস্থ হয়ে পরে ছিলেন পাশে ছিলেন না গুলতেকিন। গুলতেকিন ম্যাম কারণে অকারণে হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে আজেবাজে কথা লিখে আলোচনায় থাকতে চান। শুনতে রূঢ় হলেও বাস্তব সত্য হল গুলতেকিনকে আমরা হুমায়ুন আহমেদ এর বউ হিসেবেই চিনি। তিনিও সুযোগটির সৎ ব্যবহার করেন। তার ২য় কন্যা শিলা আগের স্বামী, সন্তান রেখে বাবার বয়সী আসিফ নজরুলকে যখন বিয়ে করলো তখন গুলতেকিন ম্যামের ভূমিকা কি ছিল মা হিসেবে? সেই বিষয়টি নিয়ে লিখবেন না? সেটাও তো জানা দরকার জনগণের। আর হুমায়ুন আহমেদের " দক্ষিণ হাওয়া" নিয়ে ক্লিয়ার করি। জমিটা গুলতেকিন ম্যামের বাবার ছিল। ওটা ডেভলাপ কম্পানিকে দেওয়া হয়। হুমায়ুন আহমেদ এবং তার এক বন্ধু সেই ডেভলাপ কোম্পানির সাথে শেয়ারে কাজ করেন। নিয়ম অনুযায়ী হুমায়ুন আহমেদ ডেভলাপ সদস্য হিসেবে ওখানে দুটো ফ্লাট অফিশিয়াললি পান। তিনি একা নন, সাথের লোকেরাও পায়। ওখানে গুলতেকিন ম্যামের ফ্লাটও আছে। মজার বিষয় হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদ ধানমন্ডিতে চারতলা একটা বিল্ডিং তৈরি করে দেন গুলতেকিন ম্যামকে। যার নামও গুলতেকিন। এবং এখন পর্যন্ত গুলতেকিন ম্যাম ধানমন্ডির হুমায়ুন আহমেদ এর বাড়িতেই থাকেন। এই তথ্যগুলো নিশ্চিত হয়েই দিচ্ছি খোঁজ নিতে পারেন যার ইচ্ছে। এখন আপনারাই বলেন বাড়ি বিষয়ক মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনি কি আনন্দ পান তাও পরিষ্কার করা উচিৎ জনগণের কাছে। হুমায়ুন তাকে চারতলা বাড়ি লিখে দিয়েছে এটা কখনো কোথাও বলেছেন তিনি? কঠিন কিছু লিখতে চাই না কিন্তু বাধ্য হই যখন দেখি লেখক হুমায়ুন আহমেদকে ছোট করার চেষ্টা তারা করেন। আফসোস কি জানেন, হুমায়ুন আহমেদের মত একজন লেখককে তার পরিবার ছোট করে আনন্দ পায় তাও এমন সময় যখন তিনি পৃথিবীতেই নেই। মজার বিষয় হচ্ছে আমাদের সত্যবাদি গুলতেকিন ম্যাম হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে লেখা পোস্ট সরিয়ে ফেলেছেন। আলোচনায় আসার দরকার ছিল এসেছিলেন। আবার দরকার হলে আবার পোস্ট করবেন। প্রতিহিংসা বড়ই ক্ষতিকর।গুলতেকিন ম্যাম ধারণা করেছিলেন তার এসব কাহিনি শুনে লোকে হুমায়ুন আহমেদকে গালি দেবে, খারাপ ভাববে কিন্তু মৃত মানুষ সম্পর্কে এসব লিখে নিজেই গালি শুনলেন, খারাপ হলেন। তার হয়ত ধারণা ছিল না হুমায়ুন আহমেদ এখনো কতটা জনপ্রিয়। বাংলা সাহিত্য হুমায়ুন আহমেদ একজনই। তার পাঠকেরা যথেষ্ট তাকে ভালোবাসার জন্য। হুমায়ূন আহমেদ কারও পারিবারিক সম্পদ নয়, তিনি বাংলাদেশের সম্পদ। বাংলা সাহিত্যর সম্পদ। ভবিষ্যতে গুলতেকিন ম্যাম এটুকু স্মরণ রাখবেন আশা করি। ভালো কথা, গুলতেকিন ম্যামের আইডিতে আগের পোস্ট ডিলিট এখন হুমায়ুন আহমেদ এর প্রতি প্রেমময় পোস্ট শোভা পাচ্ছে। জীবন বড়ই রঙ্গময়।