গাইবান্ধার মাটি ও মানুষের প্রিয় মুখ, শহীদ সামিউল ভাইয়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম সাহেব। আজ দুপুরে একটি বিশেষ সফরের অংশ হিসেবে তারা সামিউলের গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার কবর জিয়ারত করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম সরকার এবং গাইবান্ধা-৩ এর সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু। আজ দুপুরে সামিউলের কবরস্থানে পৌঁছে নেতৃবৃন্দ প্রথমে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। কবর জিয়ারত শেষে তারা সরাসরি সামিউলের পারিবারিক বাসভবনে যান। সেখানে তারা তার স্বজনদের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় বসেন এবং পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন।
পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, "শহীদ সামিউলের আত্মত্যাগ আমাদের জন্য এক অবিস্মরণীয় নজির। আমরা তার শোকাহত পরিবারের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। তার অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণ ও পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা সর্বদা সচেষ্ট থাকব।"
শোক প্রকাশকালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সামিউলের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও তার আদর্শিক অবস্থানের কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন, সামিউল ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল একজন সাহসী মানুষ। তার চলে যাওয়া পুরো এলাকাবাসীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
এ সময় জেলা আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াত আমীর আবু বকর সিদ্দিক, সেক্রেটারি মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, বায়তুল সম্পাদক মাওলানা একরামুল হক সরদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু তালেব মাস্টার, জেলা শিবির সভাপতি ইউসুফ আল কারজাভী ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি খায়রুল ইসলাম চাঁনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।এই সময় পুরো এলাকা জুড়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নেতৃবৃন্দ পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান এবং সরকারি ও দলীয় পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।