গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে এক কিশোরীসহ চারজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্বরোচিত এ হামলায় সুমাইয়া আক্তার (১১) নামের এক স্কুলছাত্রীর ওপরের পাটির চারটি ও নিচের পাটির দুটি দাঁত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৫ জুন-২৬(শুক্রবার) পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নের শিশুদহ গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুদহ গ্রামের সাদেকুল ইসলামের ছেলে মিজু আহম্মেদ, ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আঞ্জুয়ারা বেগমের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ধার নেন। গত মে মাসে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও মিজু তা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন।
ঘটনার দিন আঞ্জুয়ারা বেগমের ভাই শাওন পাওনা টাকা চাইতে শিশুদহ এলাকায় মিজুর কাছে যান। এ সময় টাকা চাওয়ার জেরে মিজু ও তার সহযোগীরা শাওনের ওপর লোহার রড ও স্টিলের পাইপ নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। শাওনের আর্তচিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার ভাগ্নি সুমাইয়া। এসময় হামলাকারীরা তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে সুমাইয়ার মুখমন্ডলের হাড় ও দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়ার ওপরের মাড়ির চারটি এবং নিচের পাটির দুটি দাঁত ভেঙে যায়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মিজু আহম্মেদকে প্রধান আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—মিজুর বড় ভাই মেহেদুল ইসলাম এবং সাদেকুল প্রধান।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সারোয়ারে আলম খানে জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে এক কিশোরীসহ চারজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্বরোচিত এ হামলায় সুমাইয়া আক্তার (১১) নামের এক স্কুলছাত্রীর ওপরের পাটির চারটি ও নিচের পাটির দুটি দাঁত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত ৫ জুন-২৬(শুক্রবার) পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নের শিশুদহ গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুদহ গ্রামের সাদেকুল ইসলামের ছেলে মিজু আহম্মেদ, ঘোড়াঘাট উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আঞ্জুয়ারা বেগমের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ধার নেন। গত মে মাসে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও মিজু তা পরিশোধ না করে টালবাহানা শুরু করেন।
ঘটনার দিন আঞ্জুয়ারা বেগমের ভাই শাওন পাওনা টাকা চাইতে শিশুদহ এলাকায় মিজুর কাছে যান। এ সময় টাকা চাওয়ার জেরে মিজু ও তার সহযোগীরা শাওনের ওপর লোহার রড ও স্টিলের পাইপ নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। শাওনের আর্তচিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার ভাগ্নি সুমাইয়া। এসময় হামলাকারীরা তাকেও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে সুমাইয়ার মুখমন্ডলের হাড় ও দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, সুমাইয়ার ওপরের মাড়ির চারটি এবং নিচের পাটির দুটি দাঁত ভেঙে যায়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মিজু আহম্মেদকে প্রধান আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—মিজুর বড় ভাই মেহেদুল ইসলাম এবং সাদেকুল প্রধান।
এ বিষয়ে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সারোয়ারে আলম খানে জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন