ফার্মেসিটির স্বত্ত্বাধিকারী ও পলাশবাড়ী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান জানান, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সংলগ্ন তাঁর 'সেবা ফার্মেসি'টি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এবং অল্প সময়েই পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর অভিযোগ, সাংবাদিক সাদেকুল ইসলাম রুবেল মাঝে মধ্যেই ঔষধ কিনতে আসতেন। কর্মচারীরা কোনো ঔষধ আনতে অন্য দোকানে গেলে সেই সুযোগে রুবেল ফার্মেসি থেকে বিভিন্ন প্রকার ঔষধ চুরি করতেন। বিশেষ করে দামি ক্রিমের মতো ঔষধগুলো বেশি চুরি হয়েছে বলে তাঁর দাবি। মাহমুদুল হাসান বলেন, "সাদেকুল রুবেল আমার দোকানে অসংখ্যবার ঔষধ চুরি করেছেন। এর সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।"
জানা যায়, এর আগেও সাদেকুল ইসলাম রুবেল পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন দায়িত্বে থাকাকালীন একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চার্জার চুরি করে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিলেন। পলাশবাড়ীতে এই প্রথম কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর চুরির অভিযোগ উঠল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আলোচনা চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় বাসিন্দা হোপনিউজকে বলেন, "রুবেল সাহেব অনেক দিন ধরে প্রেমিক-প্রেমিকার 'কপোত-কপোতি কট খাওয়ার' (হাতেনাতে ধরা পড়ার) খবর প্রচার করে আসছিলেন। যেখানেই এমন ঘটনা ঘটত, সেখানেই তিনি ছুটে যেতেন। এই নিউজগুলো প্রচার করে তিনি খুবই উপভোগ করতেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, আজ তিনি নিজেই 'কট খাইলেন'!" অনেকেই মনে করছেন, সাদেকুল ইসলাম রুবেল জেলা বিএনপির একটি পদে থাকার সুযোগে রাজনীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এমন কাজ করে আসছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, "চুরির মতো ন্যাক্কারজনক কোনো ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তার দায়ভার কখনই নেবে না। এই দায় তার একান্তই ব্যক্তিগত।" অন্যদিকে, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম সরকার বলেন, "রুবেলের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তবে অভিযুক্ত সাদেকুল ইসলাম রুবেল বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মনে হচ্ছে।"

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৫
ফার্মেসিটির স্বত্ত্বাধিকারী ও পলাশবাড়ী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহমুদুল হাসান জানান, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সংলগ্ন তাঁর 'সেবা ফার্মেসি'টি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে এবং অল্প সময়েই পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর অভিযোগ, সাংবাদিক সাদেকুল ইসলাম রুবেল মাঝে মধ্যেই ঔষধ কিনতে আসতেন। কর্মচারীরা কোনো ঔষধ আনতে অন্য দোকানে গেলে সেই সুযোগে রুবেল ফার্মেসি থেকে বিভিন্ন প্রকার ঔষধ চুরি করতেন। বিশেষ করে দামি ক্রিমের মতো ঔষধগুলো বেশি চুরি হয়েছে বলে তাঁর দাবি। মাহমুদুল হাসান বলেন, "সাদেকুল রুবেল আমার দোকানে অসংখ্যবার ঔষধ চুরি করেছেন। এর সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।"
জানা যায়, এর আগেও সাদেকুল ইসলাম রুবেল পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন দায়িত্বে থাকাকালীন একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চার্জার চুরি করে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিলেন। পলাশবাড়ীতে এই প্রথম কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর চুরির অভিযোগ উঠল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আলোচনা চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় বাসিন্দা হোপনিউজকে বলেন, "রুবেল সাহেব অনেক দিন ধরে প্রেমিক-প্রেমিকার 'কপোত-কপোতি কট খাওয়ার' (হাতেনাতে ধরা পড়ার) খবর প্রচার করে আসছিলেন। যেখানেই এমন ঘটনা ঘটত, সেখানেই তিনি ছুটে যেতেন। এই নিউজগুলো প্রচার করে তিনি খুবই উপভোগ করতেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, আজ তিনি নিজেই 'কট খাইলেন'!" অনেকেই মনে করছেন, সাদেকুল ইসলাম রুবেল জেলা বিএনপির একটি পদে থাকার সুযোগে রাজনীতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এমন কাজ করে আসছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, "চুরির মতো ন্যাক্কারজনক কোনো ঘটনায় কেউ যুক্ত থাকলে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তার দায়ভার কখনই নেবে না। এই দায় তার একান্তই ব্যক্তিগত।" অন্যদিকে, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম সরকার বলেন, "রুবেলের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তবে অভিযুক্ত সাদেকুল ইসলাম রুবেল বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, "বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে মনে হচ্ছে।"

আপনার মতামত লিখুন