গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক শিবির কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকেলে পৌর এলাকার প্রফেসর পাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। এতে এলাকায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী যায়েদ পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি তাজুল ইসলাম মিলনের পুত্র। গতকাল বিকেলে তিনি প্রফেসর পাড়া এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অতর্কিতে তার ওপর চড়াও হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে।
হামলাকারীদের হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে যায়েদের পায়ে আঘাত করা হয়। জীবন বাঁচাতে তিনি প্রাণপণ চেষ্টা চালালে হামলাকারীরা তাকে গুরুতর জখম করে। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী ও পথচারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা তাদের ব্যবহৃত চাইনিজ কুড়ালটি ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় যায়েদকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অল্পের জন্য তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও তার শরীরের ক্ষত গুরুতর বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, কিশোর গ্যাংয়ের এমন বেপরোয়া আচরণ ও প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার প্রচেষ্টা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয়রা অবিলম্বে হামলাকারী কিশোর গ্যাং সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে কে বা কারা এই হামলার সাথে জড়িত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে তা এখনো জানা যায়নি।
পলাশবাড়ী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এই ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন যায়েদের পিতা তাজুল ইসলাম মিলন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক শিবির কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকেলে পৌর এলাকার প্রফেসর পাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। এতে এলাকায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী যায়েদ পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি তাজুল ইসলাম মিলনের পুত্র। গতকাল বিকেলে তিনি প্রফেসর পাড়া এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা অতর্কিতে তার ওপর চড়াও হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে।
হামলাকারীদের হাতে থাকা ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে যায়েদের পায়ে আঘাত করা হয়। জীবন বাঁচাতে তিনি প্রাণপণ চেষ্টা চালালে হামলাকারীরা তাকে গুরুতর জখম করে। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী ও পথচারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা তাদের ব্যবহৃত চাইনিজ কুড়ালটি ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় যায়েদকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অল্পের জন্য তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও তার শরীরের ক্ষত গুরুতর বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, কিশোর গ্যাংয়ের এমন বেপরোয়া আচরণ ও প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার প্রচেষ্টা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয়রা অবিলম্বে হামলাকারী কিশোর গ্যাং সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তবে কে বা কারা এই হামলার সাথে জড়িত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে তা এখনো জানা যায়নি।
পলাশবাড়ী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এই ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন যায়েদের পিতা তাজুল ইসলাম মিলন।

আপনার মতামত লিখুন