গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নে নির্মিত রাম মূর্তি দ্রুত অপসারণের দাবিতে গত ১২ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের পর পৌরসভার চৌমাথা মোড়ে ইমাম ওলামা পরিষদ ও সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কর্মসূচি চলাকালে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি মানববন্ধনের ব্যানারে থাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজনীয় দেবতা শ্রী রামের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ ও আঘাত করে অবমাননাকর আচরণ করেন। ঘটনাটি উপস্থিত অনেকের মধ্যেই অস্বস্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি হাসান মাহামুদ বলেন, “এ ধরনের আচরণ মোটেই কাম্য নয়। ইসলাম অন্য ধর্মের প্রতি অবমাননাকর আচরণ সমর্থন করে না। অতিউৎসাহী দুই-একজন ব্যক্তি এমন কাজ করে থাকতে পারে, যা আমার নজরে আসেনি। এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমাদের ভগবান শ্রী রামের কী অপরাধ ছিল যে তাঁর ছবিকে জুতা দিয়ে আঘাত করা হবে? যদি কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি থেকে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করা যেত। কিন্তু আমাদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতীককে এভাবে অপমান করায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের হৃদয়ে আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নে নির্মিত রাম মূর্তি দ্রুত অপসারণের দাবিতে গত ১২ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের পর পৌরসভার চৌমাথা মোড়ে ইমাম ওলামা পরিষদ ও সর্বস্তরের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কর্মসূচি চলাকালে কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি মানববন্ধনের ব্যানারে থাকা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজনীয় দেবতা শ্রী রামের ছবিতে জুতা নিক্ষেপ ও আঘাত করে অবমাননাকর আচরণ করেন। ঘটনাটি উপস্থিত অনেকের মধ্যেই অস্বস্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি হাসান মাহামুদ বলেন, “এ ধরনের আচরণ মোটেই কাম্য নয়। ইসলাম অন্য ধর্মের প্রতি অবমাননাকর আচরণ সমর্থন করে না। অতিউৎসাহী দুই-একজন ব্যক্তি এমন কাজ করে থাকতে পারে, যা আমার নজরে আসেনি। এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।”
অন্যদিকে, স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমাদের ভগবান শ্রী রামের কী অপরাধ ছিল যে তাঁর ছবিকে জুতা দিয়ে আঘাত করা হবে? যদি কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে আপত্তি থেকে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করা যেত। কিন্তু আমাদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতীককে এভাবে অপমান করায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের হৃদয়ে আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন