Hope News

পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন



পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে  ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে ৮২ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

১২ জুন শুক্রবার বাদজুম্মা পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়ে প্রায় ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ইমাম ওলামা পরিষদ পলাশবাড়ীর সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাহ আলম ফয়েজি,জামায়াত নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব মাস্টার, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ও খাইরুল ইসলাম চানসহ একাধিক ইসলামি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তরা বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পলাশবাড়ীতে সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের কোন অবনতি হয় নি।কার উস্কানিতে বিশ্বের বৃহত্তর এই রাম মুর্তি নির্মান করা হলো আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বৃহত্তর রাম মুর্তি অপসারণ ও মুর্তি নির্মানের প্রকৃত কারন উদঘাটন করা না হলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

এদিকে রাম মুর্তি অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সকাল থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যথাক্রমে পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়,কোমড়পুর মোড় ও হাসবাড়ী এলাকায় বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

তিনটি স্থানে ৩ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি,১ প্লাটুন আমর্স ব্যাটালিয়ান ছাড়া ও

্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র্যাবসহ কয়েকশ পুলিশ -ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুরো উপজেলায় যেন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিলো।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিলেন রংপুরে রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো: তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অর্থ শরিফ আল রাজীব পিপিএম, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান।

পৃথক তিনটি স্থানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি আল ইয়াসা রহমান তাপাদার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি জাহাঙ্গীর আলম বাবু,

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি তাইফুর রহমান।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটেনি। পুরো পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Hope News

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


পলাশবাড়ীতে রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে ইমাম ওলামা পরিষদের মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দিরে ৮২ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন রাম মুর্তি অপসারণের দাবিতে পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

১২ জুন শুক্রবার বাদজুম্মা পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়ে প্রায় ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

পলাশবাড়ী ইমাম ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ইমাম ওলামা পরিষদ পলাশবাড়ীর সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা শাহ আলম ফয়েজি,জামায়াত নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব মাস্টার, জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ও খাইরুল ইসলাম চানসহ একাধিক ইসলামি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তরা বলেন স্বাধীনতার ৫৫ বছরে পলাশবাড়ীতে সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের কোন অবনতি হয় নি।কার উস্কানিতে বিশ্বের বৃহত্তর এই রাম মুর্তি নির্মান করা হলো আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বৃহত্তর রাম মুর্তি অপসারণ ও মুর্তি নির্মানের প্রকৃত কারন উদঘাটন করা না হলে কঠোর আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।

এদিকে রাম মুর্তি অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সকাল থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যথাক্রমে পলাশবাড়ী চারমাথা মোড়,কোমড়পুর মোড় ও হাসবাড়ী এলাকায় বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

তিনটি স্থানে ৩ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি,১ প্লাটুন আমর্স ব্যাটালিয়ান ছাড়া ও

্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র্যাবসহ কয়েকশ পুলিশ -ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুরো উপজেলায় যেন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ছিলো।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিলেন রংপুরে রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো: তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ও অর্থ শরিফ আল রাজীব পিপিএম, পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সরোয়ার আলম খান।

পৃথক তিনটি স্থানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি আল ইয়াসা রহমান তাপাদার, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি জাহাঙ্গীর আলম বাবু,

সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি তাইফুর রহমান।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটেনি। পুরো পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।


Hope News

সম্পাদক ও প্রকাশক- মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন
ফোন নাম্বার: 01766582144 ০১৭৬৬৫৮২১৪৪
ই-মেইল: matinmohammad86@gmail.com

কপিরাইট © ২০২৬ Hope News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত