বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের সুপারস্টার এবং 'বেদের মেয়ে জোসনা' খ্যাত জনপ্রিয় নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুতে বিনোদন অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। তার এই মহাপ্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গন এবং দেশ একজন গুণী শিল্পী ও সমাজকর্মীকে হারালো।
ইলিয়াস কাঞ্চন ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি তার অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা দিয়ে কোটি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৭ সালে 'বসুন্ধরা' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালী পর্দায় তার যাত্রা শুরু করেন। চার দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত 'বেদের মেয়ে জোসনা' (১৯৮৯) ছবিটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র হিসেবে আজও স্বীকৃত।
রোমান্টিক, অ্যাকশন, কমেডি, এবং পারিবারিক—সব ধরনের চরিত্রে তার সাবলীল অভিনয় তাকে এনে দিয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা। একজন সফল অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী। ১৯৯৩ সালে তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর, তিনি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে 'নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)' নামে একটি সামাজিক আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে তার নিরলস সংগ্রাম দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তার এই প্রচেষ্টা তাকে 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার' সহ অসংখ্য সম্মাননা এনে দিয়েছে।
ইলিয়াস কাঞ্চন তার কর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র এবং সমাজসেবা—উভয় ক্ষেত্রেই অমর হয়ে থাকবেন। তার এই ক্ষতি অপূরণীয়। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৫
বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের সুপারস্টার এবং 'বেদের মেয়ে জোসনা' খ্যাত জনপ্রিয় নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুতে বিনোদন অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। তার এই মহাপ্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গন এবং দেশ একজন গুণী শিল্পী ও সমাজকর্মীকে হারালো।
ইলিয়াস কাঞ্চন ছিলেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি তার অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা দিয়ে কোটি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৭ সালে 'বসুন্ধরা' চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালী পর্দায় তার যাত্রা শুরু করেন। চার দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত 'বেদের মেয়ে জোসনা' (১৯৮৯) ছবিটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র হিসেবে আজও স্বীকৃত।
রোমান্টিক, অ্যাকশন, কমেডি, এবং পারিবারিক—সব ধরনের চরিত্রে তার সাবলীল অভিনয় তাকে এনে দিয়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা। একজন সফল অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী। ১৯৯৩ সালে তার স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর, তিনি সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে 'নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)' নামে একটি সামাজিক আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে তার নিরলস সংগ্রাম দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য তার এই প্রচেষ্টা তাকে 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার' সহ অসংখ্য সম্মাননা এনে দিয়েছে।
ইলিয়াস কাঞ্চন তার কর্মের মাধ্যমে চলচ্চিত্র এবং সমাজসেবা—উভয় ক্ষেত্রেই অমর হয়ে থাকবেন। তার এই ক্ষতি অপূরণীয়। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

আপনার মতামত লিখুন