গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই শুরু হয়েছে সংস্কার কাজ। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন, ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এবং চলাচলে জনদুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নজরে আসে।
এরই ধারাবাহিকতায় কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক নিজ উদ্যোগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মাটি ফেলে রাস্তা সমান করার কাজ চলছে, যাতে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ সাধারণ যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রমিকরা সড়কের নিচু ও ভাঙা অংশে মাটি ফেলে সংস্কার করছেন। দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়েছিল। এখন দ্রুত সংস্কার হওয়ায় যাতায়াত কিছুটা সহজ হবে।
স্থানীয়রা বলেন, গণমাধ্যমে সমস্যাটি তুলে ধরার ফলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এজন্য তারা সাংবাদিকদের পাশাপাশি চেয়ারম্যানের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। তবে তারা চান, সাময়িক সংস্কারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়কটির টেকসই উন্নয়ন করা হোক, যাতে বারবার একই সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, জনদুর্ভোগ কমাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সংস্কারকাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজও করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চলমান সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করে পুরো সড়কটি নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করা হোক, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির স্থায়ী সমাধান হয়

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরপরই শুরু হয়েছে সংস্কার কাজ। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন, ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এবং চলাচলে জনদুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নজরে আসে।
এরই ধারাবাহিকতায় কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক নিজ উদ্যোগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট ও সংস্কারকাজ শুরু করেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মাটি ফেলে রাস্তা সমান করার কাজ চলছে, যাতে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ সাধারণ যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রমিকরা সড়কের নিচু ও ভাঙা অংশে মাটি ফেলে সংস্কার করছেন। দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়েছিল। এখন দ্রুত সংস্কার হওয়ায় যাতায়াত কিছুটা সহজ হবে।
স্থানীয়রা বলেন, গণমাধ্যমে সমস্যাটি তুলে ধরার ফলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এজন্য তারা সাংবাদিকদের পাশাপাশি চেয়ারম্যানের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। তবে তারা চান, সাময়িক সংস্কারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়কটির টেকসই উন্নয়ন করা হোক, যাতে বারবার একই সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, জনদুর্ভোগ কমাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সংস্কারকাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজও করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, চলমান সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ করে পুরো সড়কটি নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করা হোক, যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির স্থায়ী সমাধান হয়

আপনার মতামত লিখুন