দীর্ঘ দুইবারের চেয়ারম্যান, তারও আগে একবারের মেম্বার। ক্ষমতা, সম্মান, প্রতিপত্তি—কোনো কিছুরই কমতি ছিল না তার। কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বেলায় বুকের ভেতরটা ছিল একদম ফাঁকা। স্ত্রী মা*রা গেছেন বহু আগে, ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে যে যার মতো নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। বিশাল বাড়িতে শফিকুল চাচা একা, তার সঙ্গী কেবল নিঃসঙ্গতা। একাকীত্বের এই হাহাকার আর সইতে না পেরে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আবার ঘর বাঁধবেন। পাত্রী ২১ বছরের এক তরুণী—শান্ত, ভদ্র আর অসম্ভব সুন্দরী। মেয়েটির পরিবার এতটাই দরিদ্র যে, দু'বেলা ঠিকমতো খাবার জোটে না। মেয়ের বাবা-মা যেখানেই মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান, যৌতুক নামক এক অদৃশ্য দানব তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়।
শফিকুল চাচা শুধু মেয়েটিকে বিয়েই করলেন না, প্রতিজ্ঞা করলেন মেয়েটির বাবা-মায়ের আজীবনের ভরণপোষণের দায়িত্বও তার। অভাবের কাছে হার মেনে এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে রাজি হয়ে গেল পরিবারটি। বিয়েটা হয়ে গেল। কিন্তু আসল বিস্ময় অপেক্ষা করছিল বিয়ের দিন। শফিকুল চাচা তার সমস্ত সম্পত্তি—জমিজমা, বাড়ি, ব্যাংকের জমানো টাকা, সবকিছু নতুন স্ত্রীর নামে লিখে দিলেন। নিঃস্বার্থভাবে, কেবল একবুক বিশ্বাস নিয়ে। তার বিশ্বাস, এই মেয়েটি তার ভরসার মর্যাদা রাখবে, জীবনের শেষ দিনগুলোতে তাকে আগলে রাখবে।
এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো গ্রামজুড়ে এখন একটাই গুঞ্জন, একটাই প্রশ্ন—
"এই মেয়েটিও যদি সব টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়, তখন কী হবে এই বৃদ্ধ মানুষটার?"
ঘটনাটা আমাদের সমাজের এক কঠিন বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
আমার মনে হয়, আজকের পৃথিবীতে শুধু ভালোবাসার স্বপ্ন দেখলে চলে না। ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতেও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। শফিকুল চাচার বয়স হয়তো বেশি, কিন্তু তার ছিল সম্মান, অর্থ এবং নির্ভরতা দেওয়ার ক্ষমতা। তাই বয়সের বিশাল ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও তিনি একজন সুন্দরী তরুণীকে স্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ দুইবারের চেয়ারম্যান, তারও আগে একবারের মেম্বার। ক্ষমতা, সম্মান, প্রতিপত্তি—কোনো কিছুরই কমতি ছিল না তার। কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বেলায় বুকের ভেতরটা ছিল একদম ফাঁকা। স্ত্রী মা*রা গেছেন বহু আগে, ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে যে যার মতো নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। বিশাল বাড়িতে শফিকুল চাচা একা, তার সঙ্গী কেবল নিঃসঙ্গতা। একাকীত্বের এই হাহাকার আর সইতে না পেরে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আবার ঘর বাঁধবেন। পাত্রী ২১ বছরের এক তরুণী—শান্ত, ভদ্র আর অসম্ভব সুন্দরী। মেয়েটির পরিবার এতটাই দরিদ্র যে, দু'বেলা ঠিকমতো খাবার জোটে না। মেয়ের বাবা-মা যেখানেই মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান, যৌতুক নামক এক অদৃশ্য দানব তাদের পথ আটকে দাঁড়ায়।
শফিকুল চাচা শুধু মেয়েটিকে বিয়েই করলেন না, প্রতিজ্ঞা করলেন মেয়েটির বাবা-মায়ের আজীবনের ভরণপোষণের দায়িত্বও তার। অভাবের কাছে হার মেনে এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে রাজি হয়ে গেল পরিবারটি। বিয়েটা হয়ে গেল। কিন্তু আসল বিস্ময় অপেক্ষা করছিল বিয়ের দিন। শফিকুল চাচা তার সমস্ত সম্পত্তি—জমিজমা, বাড়ি, ব্যাংকের জমানো টাকা, সবকিছু নতুন স্ত্রীর নামে লিখে দিলেন। নিঃস্বার্থভাবে, কেবল একবুক বিশ্বাস নিয়ে। তার বিশ্বাস, এই মেয়েটি তার ভরসার মর্যাদা রাখবে, জীবনের শেষ দিনগুলোতে তাকে আগলে রাখবে।
এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো গ্রামজুড়ে এখন একটাই গুঞ্জন, একটাই প্রশ্ন—
"এই মেয়েটিও যদি সব টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়, তখন কী হবে এই বৃদ্ধ মানুষটার?"
ঘটনাটা আমাদের সমাজের এক কঠিন বাস্তবতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
আমার মনে হয়, আজকের পৃথিবীতে শুধু ভালোবাসার স্বপ্ন দেখলে চলে না। ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতেও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। শফিকুল চাচার বয়স হয়তো বেশি, কিন্তু তার ছিল সম্মান, অর্থ এবং নির্ভরতা দেওয়ার ক্ষমতা। তাই বয়সের বিশাল ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও তিনি একজন সুন্দরী তরুণীকে স্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন