গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপি’র অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) এক নেতার ব্যক্তিগত গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লক্ষাধিক টাকা।
আজ শুক্রবার(২৪ এপ্রিল-২৬) সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের রাইচমিল এলাকায় জাসাস নেতা ডাঃ জামশেদের ব্যক্তিগত চেম্বার সংলগ্ন গোডাউনে এই অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করে।
পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে,বিপুল সংখ্যক উন্নতমানের বেসিন,কিচেন সিংক এবং বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য সামগ্রী।
জানা গেছে, উদ্ধারকৃত এই পণ্যগুলো মূলত নারায়ণগঞ্জের আরএফএল (RFL) কোম্পানি থেকে চুরি হয়েছিল। এই চুরির ঘটনায় আরএফএল কর্তৃপক্ষ নারায়ণগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে। ওই মামলার তদন্তের সূত্র ধরে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, চোরাই মালের একটি বড় অংশ পলাশবাড়ীর জাসাস নেতা জামশেদের হেফাজতে রয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণগঞ্জে দায়ের হওয়া চুরির মামলার সূত্র ধরেই এই সফল অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। এই ঘটনায় জামশেদসহ অন্য যারা জড়িত থাকুক না কেন, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।"* এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত জাসাস নেতার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে এই ব্যাপারে অভিযুক্ত জাসাস নেতা জামশেদের সাথে তার ব্যবহৃত দুটি ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন নাম্বারগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিএনপি’র অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) এক নেতার ব্যক্তিগত গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ লক্ষাধিক টাকা।
আজ শুক্রবার(২৪ এপ্রিল-২৬) সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার ৫নং মহদীপুর ইউনিয়নের রাইচমিল এলাকায় জাসাস নেতা ডাঃ জামশেদের ব্যক্তিগত চেম্বার সংলগ্ন গোডাউনে এই অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ সেখানে তল্লাশি চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করে।
পুলিশের দেয়া তথ্যমতে, উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে,বিপুল সংখ্যক উন্নতমানের বেসিন,কিচেন সিংক এবং বিভিন্ন প্রকার ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য সামগ্রী।
জানা গেছে, উদ্ধারকৃত এই পণ্যগুলো মূলত নারায়ণগঞ্জের আরএফএল (RFL) কোম্পানি থেকে চুরি হয়েছিল। এই চুরির ঘটনায় আরএফএল কর্তৃপক্ষ নারায়ণগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে। ওই মামলার তদন্তের সূত্র ধরে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, চোরাই মালের একটি বড় অংশ পলাশবাড়ীর জাসাস নেতা জামশেদের হেফাজতে রয়েছে।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নারায়ণগঞ্জে দায়ের হওয়া চুরির মামলার সূত্র ধরেই এই সফল অভিযান চালানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। এই ঘটনায় জামশেদসহ অন্য যারা জড়িত থাকুক না কেন, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।"* এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত জাসাস নেতার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তবে এই ব্যাপারে অভিযুক্ত জাসাস নেতা জামশেদের সাথে তার ব্যবহৃত দুটি ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন নাম্বারগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন