গাইবান্ধায় কাজী অপহরণ: ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মুখে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার, আটক ২
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক নিকাহ্ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) অপহরণ করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুই অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের ত্বরিত অভিযানে অপহৃত কাজী শহ আলমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গত ৩০ মার্চ (সোমবার) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কাজী শহ আলমকে কৌশলে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্ত। অপহরণের পর তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কাজীর পরিবার কালক্ষেপণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পলাশবাড়ী থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃতের অবস্থান শনাক্ত করতে অভিযানে নামে।
পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে শেষ পর্যন্ত অপহৃত কাজী শহ আলমকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অপহরণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত দুইজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদস্যরা।
এই ব্যাপারে কাজী শাহ আলমের পুত্র সাংবাদিক আহসান হাবীব ফরহাদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, "উদ্ধারের পর আমার বাবাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন।" তিনি অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নিচ্ছেন বলে জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটককৃতদের নাম ও পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এই ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সারোয়ারে আলম খানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে তাদের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধায় কাজী অপহরণ: ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির মুখে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার, আটক ২
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এক নিকাহ্ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) অপহরণ করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দুই অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের ত্বরিত অভিযানে অপহৃত কাজী শহ আলমকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গত ৩০ মার্চ (সোমবার) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কাজী শহ আলমকে কৌশলে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্ত। অপহরণের পর তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছে মুঠোফোনে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর কাজীর পরিবার কালক্ষেপণ না করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পলাশবাড়ী থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃতের অবস্থান শনাক্ত করতে অভিযানে নামে।
পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে শেষ পর্যন্ত অপহৃত কাজী শহ আলমকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অপহরণের সঙ্গে সরাসরি জড়িত দুইজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদস্যরা।
এই ব্যাপারে কাজী শাহ আলমের পুত্র সাংবাদিক আহসান হাবীব ফরহাদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, "উদ্ধারের পর আমার বাবাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন।" তিনি অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নিচ্ছেন বলে জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটককৃতদের নাম ও পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এই ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সারোয়ারে আলম খানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে তাদের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন