পলাশবাড়ীতে ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উপজেলা বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ‘পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির(এ্যাডহক) সভাপতি পদ বাগিয়ে নিতে ভুয়া ডিগ্রির সার্টিফিকেট ব্যবহার করেছেন পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুরো এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় আজ মঙ্গলবার(৭ জুলাই) পলাশবাড়ীর বহুল প্রচারিত অনঢ় পত্রিকা একটি সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, আব্দুস সামাদ মন্ডল বহুদিন আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির ডিগ্রী পাশের সার্টিফিকেট দাখিল করেছিলেন এডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য। যার সিরিয়াল নং-৫২৬৩ এবং রেজিঃ নং- ৯৩১০৯১১২৪।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ প্রায় ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মোঃ মাহাবুবুল আলম ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়। প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যোগসাজশ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা শিক্ষাবোর্ডে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করেন। তবে বোর্ডে যাচাই-বাছাইয়ের সময় আব্দুস সামাদ মন্ডলের দাখিল করা ডিগ্রি পাশের সার্টিফিকেটটি জাল বা নকল হিসেবে শনাক্ত হয় বলে জানা গেছে।
এই ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুল আলম মিল্টন সাপ্তাহিক অনঢ়কে জানান, সনদটি জাল এটি সত্য, এ বিষয়ে এডহক কমিটি অনুমোদন না দেয়ার জন্য শিক্ষাবোর্ডকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিষয় নিয়ে এমন অনিয়মের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগের। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
পলাশবাড়ীতে ভুয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উপজেলা বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ‘পিয়ারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির(এ্যাডহক) সভাপতি পদ বাগিয়ে নিতে ভুয়া ডিগ্রির সার্টিফিকেট ব্যবহার করেছেন পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুরো এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় আজ মঙ্গলবার(৭ জুলাই) পলাশবাড়ীর বহুল প্রচারিত অনঢ় পত্রিকা একটি সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, আব্দুস সামাদ মন্ডল বহুদিন আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির ডিগ্রী পাশের সার্টিফিকেট দাখিল করেছিলেন এডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য। যার সিরিয়াল নং-৫২৬৩ এবং রেজিঃ নং- ৯৩১০৯১১২৪।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ প্রায় ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মোঃ মাহাবুবুল আলম ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হয়। প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যোগসাজশ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা শিক্ষাবোর্ডে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করেন। তবে বোর্ডে যাচাই-বাছাইয়ের সময় আব্দুস সামাদ মন্ডলের দাখিল করা ডিগ্রি পাশের সার্টিফিকেটটি জাল বা নকল হিসেবে শনাক্ত হয় বলে জানা গেছে।
এই ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মাহাবুবুল আলম মিল্টন সাপ্তাহিক অনঢ়কে জানান, সনদটি জাল এটি সত্য, এ বিষয়ে এডহক কমিটি অনুমোদন না দেয়ার জন্য শিক্ষাবোর্ডকে মোবাইল ফোনে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিষয় নিয়ে এমন অনিয়মের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগের। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন