Hope News

পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ীতে ভারি বৃষ্টিতে ভাঙনের শিকার ১০ টি পরিবার



পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ীতে ভারি বৃষ্টিতে ভাঙনের শিকার ১০ টি পরিবার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়িতে ভারি বৃষ্টিতে ভাঙনের শিকার হয়ে ১০ টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের শেষ সীমানা কিশোরগাড়ী (বালুপাড়া) গ্রামে চিত্র এটি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো- মাহাবুর মণ্ডল, শাহাবুল মণ্ডল, মাহফুজার মণ্ডল, হাসিম মণ্ডল, পিয়ারা বেগম, পাপেল মণ্ডল, মোস্তাফিজার, আশরাফুল, নান্নু মিয়া ও সাহারুল মিয়ার পরিবার। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বসতভিটার শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নানা ভাবে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিপদে পতিত মানুষ গুলো। ভূক্তভোগীরা জানান, গেল কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ভাঙনের কবলে পড়েছেন তারা। বৃষ্টির পানির স্রোতে নিচে গর্তের সৃষ্টি ফলে নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন দশটি পরিবার।

এ ব্যাপারে কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রায় বিশ বছর ধরে ওই গ্রামের মানুষ প্রতি বছর বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। জিও ব্যাগ ডাম্পিং কিংবা প্যালাসাইডিং নির্মাণ করে মাটি ভরটের মাধ্যমে এলাকাটি রক্ষা করা সম্ভব। অন্যথায় ওই পাড়াটি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। এ বিষয়ে নবাগত উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহম্মেদ বলেন, ভারিবর্ষণে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে ভাঙনের কবলে পড়া পরিবারগুলোতে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Hope News

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়ীতে ভারি বৃষ্টিতে ভাঙনের শিকার ১০ টি পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর কিশোরগাড়িতে ভারি বৃষ্টিতে ভাঙনের শিকার হয়ে ১০ টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের শেষ সীমানা কিশোরগাড়ী (বালুপাড়া) গ্রামে চিত্র এটি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হলো- মাহাবুর মণ্ডল, শাহাবুল মণ্ডল, মাহফুজার মণ্ডল, হাসিম মণ্ডল, পিয়ারা বেগম, পাপেল মণ্ডল, মোস্তাফিজার, আশরাফুল, নান্নু মিয়া ও সাহারুল মিয়ার পরিবার। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বসতভিটার শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় নানা ভাবে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিপদে পতিত মানুষ গুলো। ভূক্তভোগীরা জানান, গেল কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে হঠাৎ ভাঙনের কবলে পড়েছেন তারা। বৃষ্টির পানির স্রোতে নিচে গর্তের সৃষ্টি ফলে নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত হন দশটি পরিবার।

এ ব্যাপারে কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রায় বিশ বছর ধরে ওই গ্রামের মানুষ প্রতি বছর বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। জিও ব্যাগ ডাম্পিং কিংবা প্যালাসাইডিং নির্মাণ করে মাটি ভরটের মাধ্যমে এলাকাটি রক্ষা করা সম্ভব। অন্যথায় ওই পাড়াটি সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। এ বিষয়ে নবাগত উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাবের আহম্মেদ বলেন, ভারিবর্ষণে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে ভাঙনের কবলে পড়া পরিবারগুলোতে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


Hope News

সম্পাদক ও প্রকাশক- মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন
ফোন নাম্বার: 01766582144 ০১৭৬৬৫৮২১৪৪
ই-মেইল: matinmohammad86@gmail.com

কপিরাইট © ২০২৬ Hope News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত