বর্রাতমানে রাজনৈতিক পরিবেশ পুরোটাই বিএনপি জামায়াতের অনুকূলে। এর আগে ১৫ বছরব্যাপী তাদেরকে দৌড়ের উপর রেখেছিল আওয়ামীলীগ। গুম,খুন, আয়নাঘর আর ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিল অনেককেই। গোটা দেশের একটি দলীয় অফিসকেও খুলতে দেয়া হয় নাই দুটি দলের একটিকেও।
এত কিছুর পরেও জামায়াত-বিএনপি চুপ করে আছে। এই একই অবস্থায় যদি আওয়ামীলীগ থাকতো তাহলে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীদের জায়গা এতক্ষণে কোথায় হতো? নিঃসন্দেহে ফাঁসির কাষ্ঠ না হয় আয়নাঘর। যেখান থেকে খুব কম সংখ্যক মানুষই ফিরে আসতে পেরেছে। গুম কমিশন এখন অবধি ৮০০ টি আয়নাঘর এবং ২০০০ এরও বেশি গুমের ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে। ৫ আগস্টের পর লীগ যদি যে কোনো ভাবে রাজনীতিতে বিজয়ী হতো তাহলে গোটা দেশে হাজার হাজার আয়নাঘরের জন্ম হতো।
একটা বিষয় আমার কাছে ভীষণ অবাক লাাগে আর তা হলো-লীগের উপর মহল থেকে নিচের কোনো নেতা এখনও মুখ ফুটে বললো না যে, রাজনীতির নামে আমরা গুম,খুন ও আয়নাঘরের যে কালচার শুরু করেছিলাম তা আমাদের ভুল ছিল। একটা পাতি নেতাও তাদের এই ভুল স্বীকার করলো না!
এমন বাস্তবতা এটাই প্রমাণ করে যে, এত শত অপকর্ম করার পরেও, হত্যা, গুম ও নিপীড়ণ করার পরেও লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সামান্যতম অনুশোচনার জন্ম হয় নাই। এরাই আবার দোষ চাপাচ্ছে বিএনপি জামায়াতের উপর! কি অবাক ও অবিশ্বাস্য কান্ড! তার মানে ভবিষ্যতে তারা যদি আবারো রাজনীতি করতে চায় তাহলে এরা ঐ ফ্যাসিস্ট ধারাতেই ফিরে আসবে এতে কোনো সন্দেহ নাই।
কারণ আওয়ামীলীগের জন্মই হয়েছে ফ্যাসিস্ট কায়দার মধ্য দিয়ে। এদের রক্তে মাংসে ফ্যাসিস্ট আচরণ মিশে আছে। তবে বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে ইসলামী দলসমূহ এবং জাতীয়তাবাদী ভাবধারার দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে এদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ আর কখনই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
বর্রাতমানে রাজনৈতিক পরিবেশ পুরোটাই বিএনপি জামায়াতের অনুকূলে। এর আগে ১৫ বছরব্যাপী তাদেরকে দৌড়ের উপর রেখেছিল আওয়ামীলীগ। গুম,খুন, আয়নাঘর আর ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিল অনেককেই। গোটা দেশের একটি দলীয় অফিসকেও খুলতে দেয়া হয় নাই দুটি দলের একটিকেও।
এত কিছুর পরেও জামায়াত-বিএনপি চুপ করে আছে। এই একই অবস্থায় যদি আওয়ামীলীগ থাকতো তাহলে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীদের জায়গা এতক্ষণে কোথায় হতো? নিঃসন্দেহে ফাঁসির কাষ্ঠ না হয় আয়নাঘর। যেখান থেকে খুব কম সংখ্যক মানুষই ফিরে আসতে পেরেছে। গুম কমিশন এখন অবধি ৮০০ টি আয়নাঘর এবং ২০০০ এরও বেশি গুমের ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে। ৫ আগস্টের পর লীগ যদি যে কোনো ভাবে রাজনীতিতে বিজয়ী হতো তাহলে গোটা দেশে হাজার হাজার আয়নাঘরের জন্ম হতো।
একটা বিষয় আমার কাছে ভীষণ অবাক লাাগে আর তা হলো-লীগের উপর মহল থেকে নিচের কোনো নেতা এখনও মুখ ফুটে বললো না যে, রাজনীতির নামে আমরা গুম,খুন ও আয়নাঘরের যে কালচার শুরু করেছিলাম তা আমাদের ভুল ছিল। একটা পাতি নেতাও তাদের এই ভুল স্বীকার করলো না!
এমন বাস্তবতা এটাই প্রমাণ করে যে, এত শত অপকর্ম করার পরেও, হত্যা, গুম ও নিপীড়ণ করার পরেও লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সামান্যতম অনুশোচনার জন্ম হয় নাই। এরাই আবার দোষ চাপাচ্ছে বিএনপি জামায়াতের উপর! কি অবাক ও অবিশ্বাস্য কান্ড! তার মানে ভবিষ্যতে তারা যদি আবারো রাজনীতি করতে চায় তাহলে এরা ঐ ফ্যাসিস্ট ধারাতেই ফিরে আসবে এতে কোনো সন্দেহ নাই।
কারণ আওয়ামীলীগের জন্মই হয়েছে ফ্যাসিস্ট কায়দার মধ্য দিয়ে। এদের রক্তে মাংসে ফ্যাসিস্ট আচরণ মিশে আছে। তবে বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে ইসলামী দলসমূহ এবং জাতীয়তাবাদী ভাবধারার দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে এদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ আর কখনই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন