Hope News

অবশেষে গ্রেফতার হলেন আর এক সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা



অবশেষে গ্রেফতার হলেন আর এক সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা

অবশেষে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা মেজর মোঃ মানজিল হায়দার চৌধুরী।

দীর্ঘ ১২ বছর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে প্রশাসনিক শাখায় কোয়ার্টার মাস্টার হিসেবে কাজ করার আড়ালে, মানজিল মূলত কুখ্যাত মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেই কাজ করতেন। তারিক সিদ্দিকীর সকল গোপন সম্পদের তদারকির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো বরখাস্ত এই কর্মকর্তা।

তারিক সিদ্দিকীর ছত্রছায়ায় অত্যন্ত বেপরোয়া মানজিল হায়দার ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসকে কে তার সকল দেন দরবারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন, ২০২১ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে বরখাস্ত মেজর মানজিল ও সেসময় ডিজিএফআই তে কর্মরত আরেক কর্মকর্তা বিএ ৬০৫৭ মেজর এ এস এম মশিউল আলম মিলে জনৈক ব্যবসায়ীকে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসে ডেকে এনে জোরপূর্বক টাকা আদায় করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার প্রেক্ষিতে মেজর মশিউলকে ডিজিএফআই হতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও মেজর মশিউল যখন জানতে পারেন যে, একই অভিযোগের কারণে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে কিন্তু মেজর মানজিলকে কোন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না তখন তিনি এর বিরোধিতা করেন। যার কারনে মেজর মশিউলকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন না করে ডিজিএফআই বগুড়া শাখাতে অভ্যন্তরীণ বদলি করা হয়েছিল — তারিক সিদ্দিকীর এতটাই আস্থাভাজন কর্মকর্তা ছিলেন তিনি, তাই তো ধানমন্ডিতে একটি ফ্লাটও উপহার পান তিনি।

গ্রেফতারকৃত মানজিল হায়দার চৌধুরী কে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেমেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তারিক সিদ্দিকীর বিভিন্ন অপকর্ম, অর্থনৈতিক লেনদেন সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য পাওয়া সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন

Hope News

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


অবশেষে গ্রেফতার হলেন আর এক সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

অবশেষে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা মেজর মোঃ মানজিল হায়দার চৌধুরী।

দীর্ঘ ১২ বছর ডিজিএফআই সদর দপ্তরে প্রশাসনিক শাখায় কোয়ার্টার মাস্টার হিসেবে কাজ করার আড়ালে, মানজিল মূলত কুখ্যাত মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক সিদ্দিকীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেই কাজ করতেন। তারিক সিদ্দিকীর সকল গোপন সম্পদের তদারকির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো বরখাস্ত এই কর্মকর্তা।

তারিক সিদ্দিকীর ছত্রছায়ায় অত্যন্ত বেপরোয়া মানজিল হায়দার ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসকে কে তার সকল দেন দরবারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন, ২০২১ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ তাবরেজ শামস মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে বরখাস্ত মেজর মানজিল ও সেসময় ডিজিএফআই তে কর্মরত আরেক কর্মকর্তা বিএ ৬০৫৭ মেজর এ এস এম মশিউল আলম মিলে জনৈক ব্যবসায়ীকে ডিজিএফআই অফিসার্স মেসে ডেকে এনে জোরপূর্বক টাকা আদায় করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার প্রেক্ষিতে মেজর মশিউলকে ডিজিএফআই হতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও মেজর মশিউল যখন জানতে পারেন যে, একই অভিযোগের কারণে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে কিন্তু মেজর মানজিলকে কোন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না তখন তিনি এর বিরোধিতা করেন। যার কারনে মেজর মশিউলকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন না করে ডিজিএফআই বগুড়া শাখাতে অভ্যন্তরীণ বদলি করা হয়েছিল — তারিক সিদ্দিকীর এতটাই আস্থাভাজন কর্মকর্তা ছিলেন তিনি, তাই তো ধানমন্ডিতে একটি ফ্লাটও উপহার পান তিনি।

গ্রেফতারকৃত মানজিল হায়দার চৌধুরী কে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেমেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তারিক সিদ্দিকীর বিভিন্ন অপকর্ম, অর্থনৈতিক লেনদেন সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য পাওয়া সম্ভব।


Hope News

সম্পাদক ও প্রকাশক- মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন
ফোন নাম্বার: 01766582144 ০১৭৬৬৫৮২১৪৪
ই-মেইল: matinmohammad86@gmail.com

কপিরাইট © ২০২৬ Hope News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত