পলাশবাড়ীর রামমূর্তি ইস্যুতে আলোচিত হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের মন্তব্য ও কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের বক্তব্য, কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গাইবান্ধা জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি বিরতি রঞ্জন সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজন প্রসাদ, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস অভি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি রণজিৎ বকসী সূর্য্য, সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক বিপুল কুমার দাস, সদস্য সচিব বিষ্ণু কুমার দাসসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রামচন্দ্রপুর গ্রামের প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ভগবান রামের মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এতে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে প্রশাসনের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ওই সভার পর হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সনাতন সমাজ সম্পর্কে মানহানিকর, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, যা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের আশঙ্কা তৈরি করছে।
এছাড়া অভিযোগ করা হয়, তিনি এককভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনা ও মূর্তি নির্মাণ করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত অর্থের উৎস তদন্তের দাবি জানান বক্তারা। একই সঙ্গে প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ (বোর্ড) বা ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের দাবিও জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
পলাশবাড়ীর রামমূর্তি ইস্যুতে আলোচিত হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের মন্তব্য ও কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসের বক্তব্য, কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া মন্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গাইবান্ধা জেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি বিরতি রঞ্জন সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজন প্রসাদ, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস অভি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি রণজিৎ বকসী সূর্য্য, সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক বিপুল কুমার দাস, সদস্য সচিব বিষ্ণু কুমার দাসসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রামচন্দ্রপুর গ্রামের প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ভগবান রামের মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এতে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে প্রশাসনের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ওই সভার পর হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সনাতন সমাজ সম্পর্কে মানহানিকর, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন, যা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের আশঙ্কা তৈরি করছে।
এছাড়া অভিযোগ করা হয়, তিনি এককভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনা ও মূর্তি নির্মাণ করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত অর্থের উৎস তদন্তের দাবি জানান বক্তারা। একই সঙ্গে প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ (বোর্ড) বা ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের দাবিও জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন