Hope News

পলাশবাড়ীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ককট্রেল বিস্ফোরণ পথচারীসহ আহত চারজন



পলাশবাড়ীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ককট্রেল বিস্ফোরণ পথচারীসহ আহত চারজন

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুটি গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ হামলার মুখে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে এবং এ সময় অন্তত তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে পথচারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

১৭ মে (রবিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পলাশবাড়ী পৌর শহরের চারমাথা মোড় এলাকায় এই রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক কর্মীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই পলাশবাড়ী পৌর শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ছাত্রদলের একটি পক্ষ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হানের অনুসারী এবং অপর পক্ষটি পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের ছেলে শিশিরের অনুসারী বলে জানা গেছে

বিকেলের দিকে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটাসহ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। শিশির গ্রুপ রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের উত্তর পাশে এবং রায়হান গ্রুপ মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর চড়াও হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ দিকবিদিক ছুটতে শুরু করে। সংঘর্ষে দুই পথচারীসহ অন্তত ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ার আলম খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় মহাসড়কের উত্তর পাশ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে আকস্মিক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। অতর্কিত এই হামলার মুখে নিরস্ত্র পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে দ্রুত থানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এরপরই পুরো চারমাথা মোড় এলাকায় পর পর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ঘটনার পর থেকে পুরো পৌর শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

বিষয় : বিএনপি ছাত্রদল

আপনার মতামত লিখুন

Hope News

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


পলাশবাড়ীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ককট্রেল বিস্ফোরণ পথচারীসহ আহত চারজন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুটি গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশ হামলার মুখে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে এবং এ সময় অন্তত তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে পথচারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

১৭ মে (রবিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পলাশবাড়ী পৌর শহরের চারমাথা মোড় এলাকায় এই রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক কর্মীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকেই পলাশবাড়ী পৌর শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। ছাত্রদলের একটি পক্ষ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হানের অনুসারী এবং অপর পক্ষটি পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের ছেলে শিশিরের অনুসারী বলে জানা গেছে

বিকেলের দিকে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটাসহ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। শিশির গ্রুপ রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের উত্তর পাশে এবং রায়হান গ্রুপ মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর চড়াও হলে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ দিকবিদিক ছুটতে শুরু করে। সংঘর্ষে দুই পথচারীসহ অন্তত ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরোয়ার আলম খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় মহাসড়কের উত্তর পাশ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে আকস্মিক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। অতর্কিত এই হামলার মুখে নিরস্ত্র পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে দ্রুত থানায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এরপরই পুরো চারমাথা মোড় এলাকায় পর পর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ঘটনার পর থেকে পুরো পৌর শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


Hope News

সম্পাদক ও প্রকাশক- মোহাম্মাদ আব্দুল মতিন
ফোন নাম্বার: 01766582144 ০১৭৬৬৫৮২১৪৪
ই-মেইল: matinmohammad86@gmail.com

কপিরাইট © ২০২৬ Hope News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত