সুদূর তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পাঠ চুকিয়ে অবশেষে দেশের গণ-রাজনীতিতে ফিরলেন ড. হাফিজুর রহমান (পিএইচডি)। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আহ্বানে তিনি অধ্যাপনা এবং প্রবাস জীবনের দায়িত্ব ছেড়ে সম্প্রতি দেশে এসেছেন। দলের পক্ষ থেকে তরুণ ও মেধাবী এই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
ড. হাফিজুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি তুরস্কে যান এবং তুরস্কের আঙ্কারা অঞ্চলের গাজি ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফেরার আগে তিনি তুরস্কের তোকাত গাজিপাশা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া, তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তুরস্ক জামায়াতের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানা যায়।
তাঁর লেখা 'এরদোয়ান: দ্যা চেঞ্জ মেকার' বইটি বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বইটি তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের রাজনৈতিক উত্থান ও তুরস্কের পরিবর্তন নিয়ে লেখা।
ড. হাফিজের দেশে ফেরা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নিজ এলাকা গাজীপুর-৬ (শ্রীপুর) আসনে তার সম্ভাব্য প্রার্থীতা নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী এবং বহির্বিশ্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নেতার সক্রিয়তা এই অঞ্চলের ভোটের সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।
ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা ড. হাফিজকে নিয়ে জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তাঁর প্রত্যাবর্তনের ফলে দেশের রাজনীতিতে এক ঝাঁক মেধাবী, তরুণ ও শিক্ষাবিদ নেতৃত্বের উত্থানের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ড. হাফিজুর রহমান গণ-রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে আপাতত রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে গাজীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে, তাঁর ফেরা এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫
সুদূর তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পাঠ চুকিয়ে অবশেষে দেশের গণ-রাজনীতিতে ফিরলেন ড. হাফিজুর রহমান (পিএইচডি)। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আহ্বানে তিনি অধ্যাপনা এবং প্রবাস জীবনের দায়িত্ব ছেড়ে সম্প্রতি দেশে এসেছেন। দলের পক্ষ থেকে তরুণ ও মেধাবী এই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
ড. হাফিজুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি তুরস্কে যান এবং তুরস্কের আঙ্কারা অঞ্চলের গাজি ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশে ফেরার আগে তিনি তুরস্কের তোকাত গাজিপাশা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া, তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তুরস্ক জামায়াতের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানা যায়।
তাঁর লেখা 'এরদোয়ান: দ্যা চেঞ্জ মেকার' বইটি বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বইটি তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের রাজনৈতিক উত্থান ও তুরস্কের পরিবর্তন নিয়ে লেখা।
ড. হাফিজের দেশে ফেরা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নিজ এলাকা গাজীপুর-৬ (শ্রীপুর) আসনে তার সম্ভাব্য প্রার্থীতা নিয়ে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী এবং বহির্বিশ্বের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নেতার সক্রিয়তা এই অঞ্চলের ভোটের সমীকরণ পাল্টে দিতে পারে।
ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা ড. হাফিজকে নিয়ে জামায়াতের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তাঁর প্রত্যাবর্তনের ফলে দেশের রাজনীতিতে এক ঝাঁক মেধাবী, তরুণ ও শিক্ষাবিদ নেতৃত্বের উত্থানের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ড. হাফিজুর রহমান গণ-রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে আপাতত রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে গাজীপুরের স্থানীয় রাজনীতিতে, তাঁর ফেরা এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন