লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীণ সময়ে আমাদের মত বিপ্লবীদের লেখা পড়ে এক শ্রেণীর স্বার্থপর মানুষ বলতো, এই লেখালেখি করে কি হবে? আপনি লিখলেই কি আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থেকে চলে যাবে? মাঝে মধ্যে এইসব স্বার্থপরদের উপদেশবাণী শুনে বিভ্রান্ত হয়ে পড়তাম। পরক্ষণে আবার লেখা শুরু করতাম।
আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে সেই লেখালেখি একান্তই সেই সরকারকে হটানোর উদ্দেশ্যে ছিলো না। সেই লেখালেখি ছিলো তাদেরকে সচেতন করার জন্য। একজন লেখক কখনই কোনো সরকারের পতন সরাসরি ঘটাতে পারে না। প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে মাত্র। ঠিক সেটাই আমরা করতে পেরেছিলাম।
যেখানে অন্যরা আওয়ামী জাহেলিয়াতের হাতে গোটা জাতিকে সমর্পিত করে পরিবার পরিজনসহ সুখে শান্তিতে বসবাসের স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলো, এর বিপরীতে আমরা নিজের পরিবার পরিজনদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলে কলম হাতে তুলে নিয়েছিলাম।
আওয়ামীলীগের আমলে অসংখ্য জামায়াত বিএনপি জামায়াত নেতা-কর্মী হত্যার শিকার হয়েছিলেন। নির্মম ভাবে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে জামায়াতের নিরপরাধ নেতৃত্বদের। এইসব কিছু দেখে অন্যরা চুপ থাকলেও আমরা চুপ থাকতে পারিনি। একজন ছোট শিশুর পিতাকে যখন হাসিনার গুম বাহিনী তুলে নিয়ে যেত, গুম করতো তখন সেই শিশুর স্থলে আমি আমার সন্তানকে খুঁজে পেতাম। আর সন্তানের অসহায়ত্ব দেখে কোনো পিতাই চুপ থাকতে পারে না। আমরাও পারি নাই।
অথচ এক শ্রেণীর স্বার্থপর পিতা ঠিকই চুপ থেকেছিলো। আজ সেই স্বার্থপর পিতারাই পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার গন্ধ পেয়ে ঘুরঘুর করছেন। এই দৃশ্য আমার কাছে চরম লজ্জার এবং ঘৃণার। একটি আন্দোলনকে নিরাপদ রাখতে এই সব স্বার্থপরদের থেকে শত মাইল দুরে থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫
লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীণ সময়ে আমাদের মত বিপ্লবীদের লেখা পড়ে এক শ্রেণীর স্বার্থপর মানুষ বলতো, এই লেখালেখি করে কি হবে? আপনি লিখলেই কি আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থেকে চলে যাবে? মাঝে মধ্যে এইসব স্বার্থপরদের উপদেশবাণী শুনে বিভ্রান্ত হয়ে পড়তাম। পরক্ষণে আবার লেখা শুরু করতাম।
আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে সেই লেখালেখি একান্তই সেই সরকারকে হটানোর উদ্দেশ্যে ছিলো না। সেই লেখালেখি ছিলো তাদেরকে সচেতন করার জন্য। একজন লেখক কখনই কোনো সরকারের পতন সরাসরি ঘটাতে পারে না। প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে মাত্র। ঠিক সেটাই আমরা করতে পেরেছিলাম।
যেখানে অন্যরা আওয়ামী জাহেলিয়াতের হাতে গোটা জাতিকে সমর্পিত করে পরিবার পরিজনসহ সুখে শান্তিতে বসবাসের স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলো, এর বিপরীতে আমরা নিজের পরিবার পরিজনদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলে কলম হাতে তুলে নিয়েছিলাম।
আওয়ামীলীগের আমলে অসংখ্য জামায়াত বিএনপি জামায়াত নেতা-কর্মী হত্যার শিকার হয়েছিলেন। নির্মম ভাবে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে জামায়াতের নিরপরাধ নেতৃত্বদের। এইসব কিছু দেখে অন্যরা চুপ থাকলেও আমরা চুপ থাকতে পারিনি। একজন ছোট শিশুর পিতাকে যখন হাসিনার গুম বাহিনী তুলে নিয়ে যেত, গুম করতো তখন সেই শিশুর স্থলে আমি আমার সন্তানকে খুঁজে পেতাম। আর সন্তানের অসহায়ত্ব দেখে কোনো পিতাই চুপ থাকতে পারে না। আমরাও পারি নাই।
অথচ এক শ্রেণীর স্বার্থপর পিতা ঠিকই চুপ থেকেছিলো। আজ সেই স্বার্থপর পিতারাই পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার গন্ধ পেয়ে ঘুরঘুর করছেন। এই দৃশ্য আমার কাছে চরম লজ্জার এবং ঘৃণার। একটি আন্দোলনকে নিরাপদ রাখতে এই সব স্বার্থপরদের থেকে শত মাইল দুরে থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন