২৪ এর অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়া ৬২৬ জনকে সেইফ এক্সিট দিয়েছে সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান। খুনিদের এভাবে পালিয়ে যেতে দেয়ার রেকর্ড পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নাই। ওয়াকারের এই ঘৃণ্য অপকর্ম জাতির সাথে বেঈমানীর সমতুল্য।
দুঃখজনক বিষয় হলো সেই ৬২৬ জনকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার রেশ কাটতে না কাটতেই বাহিনীতে সার্ভিসরত থাকা অবস্থাতেই ভারতে পালিয়ে গেলেন কবির নামের আর এক জেনারেল। তিনি এখন অন্যান্য পলাতকদের সাথে অবস্থান করছেন কলকাতায়।
কিছুদিন আগে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদেরকে এখন অবধি সিভিল প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়া হয়নি। তা না করে এদেরকে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে। এই সব ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ওয়াকার সাহেব অতিমাত্রায় আওয়ামীপন্থী নেতা ও খুনিদের রক্ষা করতে চাইছেন।
শোনা যাচ্ছে সেনাবাহিনী নাকি ক্যু করতে চাইছে। এই ধারণা বা সন্দেহ অমূলক নয়। কারণ সব মিলিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন সেনাবাহিনীর প্রতিকূলে। অপরাধী সেনা কর্মকর্তারা অপকর্ম করেছেন সেনাপ্রধানের নির্দেশেই। নির্বাহী প্রধান হিসেবে হাসিনার যদি বিচার হয় তাহলে সেই একই অপরাধে ওয়াকারুজ্জামানেরও বিচার দাবী করা বা চাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৫
২৪ এর অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয়া ৬২৬ জনকে সেইফ এক্সিট দিয়েছে সেনাপ্রধান ওয়াকারুজ্জামান। খুনিদের এভাবে পালিয়ে যেতে দেয়ার রেকর্ড পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নাই। ওয়াকারের এই ঘৃণ্য অপকর্ম জাতির সাথে বেঈমানীর সমতুল্য।
দুঃখজনক বিষয় হলো সেই ৬২৬ জনকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার রেশ কাটতে না কাটতেই বাহিনীতে সার্ভিসরত থাকা অবস্থাতেই ভারতে পালিয়ে গেলেন কবির নামের আর এক জেনারেল। তিনি এখন অন্যান্য পলাতকদের সাথে অবস্থান করছেন কলকাতায়।
কিছুদিন আগে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদেরকে এখন অবধি সিভিল প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়া হয়নি। তা না করে এদেরকে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে। এই সব ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ওয়াকার সাহেব অতিমাত্রায় আওয়ামীপন্থী নেতা ও খুনিদের রক্ষা করতে চাইছেন।
শোনা যাচ্ছে সেনাবাহিনী নাকি ক্যু করতে চাইছে। এই ধারণা বা সন্দেহ অমূলক নয়। কারণ সব মিলিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন সেনাবাহিনীর প্রতিকূলে। অপরাধী সেনা কর্মকর্তারা অপকর্ম করেছেন সেনাপ্রধানের নির্দেশেই। নির্বাহী প্রধান হিসেবে হাসিনার যদি বিচার হয় তাহলে সেই একই অপরাধে ওয়াকারুজ্জামানেরও বিচার দাবী করা বা চাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

আপনার মতামত লিখুন